ইবুক: নিঃশ্বাস
লেখক: Sumon Bhuiyan
প্রকাশক: অনুজ প্রকাশন
কাহিনি সংক্ষেপ:
বাহিরে বৃষ্টি পড়ছে। আনোয়ার বৃষ্টির মধ্যে দুই যাত্রী নিয়ে মোহাম্মদপুর যাচ্ছে। বৃষ্টি ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাঝে বিদ্যুৎও চমকাচ্ছে। বিদুৎ চমকানোর আলোতে আনোয়ারের হঠাৎ লুকিং গ্লাসে চোখ পড়ে। দেখে তার সিএনজিতে থাকা যাত্রীদের দাত গুলো কালো। শুধু কালো না অস্বাভাবিক ভালো কালো৷ আনোয়ার কিছু না বলে গাড়ি চালাচ্ছিল নিজের মনে। আবার বিদ্যুৎ চমকায়। সেই আলোয় আবার দেখতে পায়, তাদের চোখ দুটো হলুদ। চোখের মনি নেই। যাত্রীরা চুপচাপ কোনো কথা বলছে না মাঝেমধ্যে তারা দুজন কি কথা বলছে আনোয়ার বুঝতে পারে না তাদের ভাষা। হঠাৎ মোহাম্মদপুর মাঠে যাত্রীটি আনোয়ার কে গাড়ি থামাতে বলে। আনোয়ার একটু ভয়ই পায়। কেননা এই খোলা মাঠে সচারাচর কেউ নামে না। আর এটা ছিনতাইকারীদের জন্য উপযুক্ত জায়গা। আনোয়ার ভাবে যাত্রী টি ছিনতাইকারী না তো। আনোয়ার ভাবনায় বিভোর, যাত্রী আবারও বলে ওঠে কি হলো ভাই গাড়ি থামান আমি এখানে নামব।
আনোয়ার তখন গাড়ি থামায়। লোকটা গাড়ি থেকে মেনে আনোয়ার কে ভাড়া মিটিয়ে রাতের অন্ধকারে একটু একটু করে মিলিয়ে যেতে থাকে।
আনোয়ার মনে পড়ল গাড়িতে তার সাথে একটা ছেলেও ছিল সে নামলো না তো। আনোয়ার লোকটা কে ডেকে বলল ভাই আপনার সাথে যে ছেলে ছিল সে নামল না তো। লোকটা উত্তর দেয়, কই আমার সাথে তো কেউ ছিল না। আনোয়ার চমকে যায়। সে নিজে দেখেছে লোকটার সাথে একটা ছেলে ছিল। আনোয়ার তাড়াতাড়ি তার গাড়ির ভিতরে তাকায় না ছেলেটা গাড়ির ভিতরেও নেই তাহলে ছেলেটা গেলো কোথায়? আসলেই কি আনোয়ারের গাড়িতে ছেলেটি ছিল? নাকি আনোয়ারের মনের ভুল দেখার ভুল?
এসব জানতে হলে পড়তে হবে "নিঃশ্বাস "।
পাঠপ্রতিক্রিয়া:
আমাদের জীবনে অনেক সময় অনেক অবাস্তব ঘটনা ঘটে। যেগুলো অন্য জনকে বিশ্বাস করা যায় না। বলা যায় না। বললে হয়তো হেসে উড়িয়ে দেয়। কিন্তু একই৷ ঘটনা যদি তার সাথে ঘটে তাহলে সে বিশ্বাস করে। পৃথিবীতে এমন ঘটনা আছে যেগুলো নিজেদের সাথে না ঘটলে বিশ্বাস হয় না। সত্য বলে মনে হয় না। এমনই এক ঘটনার কথা লেখক তার কলমের ছোঁয়ায় তুলে ধরেছেন।
লেখা: নিপানুর বিনতে নুরনবী
তারিখ: ১০/০৫/২০২৬
Facebook পোস্টটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
Note: ব্যবহারকারীর প্রোফাইল পাবলিক থাকলে, দেওয়া লিংক থেকে মূল রিভিউটি দেখা যাবে।
নিঃস্বাস আমরা সবাই নেই,,
কিন্তু এখানে নিঃস্বাস টা আপনার বা আমার না!!
রহস্যময় এবং ভয়ংকর একটি গল্প নিঃস্বাস,, , গল্পটা পরার সময় হারিয়ে গিয়ে ছিলাম গল্পের মধ্যে মনে হচ্ছে সব কাহিনি জানো আমার চার পাশে ঘটছে,,, গল্প টা এমনই রহস্যময়.. কিছু বিষয় আছে প্রামাণ করা যায় না আবার পুরোপুরি অস্বীকার ও করা যায় না, এরকমি একটা গল্প এটা!!
লেখকঃ সুমন ভুইয়া
ইবুকঃ নিঃস্বাস
#প্রকাশনাঃ অনুজ প্রকাশন
Facebook পোস্টটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
Note: ব্যবহারকারীর প্রোফাইল পাবলিক থাকলে, দেওয়া লিংক থেকে মূল রিভিউটি দেখা যাবে।
নিপা এর পাঠ প্রতিক্রিয়া
নিঃশ্বাস - যেখানে নিঃশ্বাসটি আপনার না।
কিন্তু শ্বাস নিতে আপনি বাধ্য।
কাহিনী সংক্ষেপেঃ
বিকেল গড়িয়ে আসছে। আকাশ মেঘলা। চারদিকে অন্ধকার নেমে আসার মতো অনুভূতি ঠান্ডা বাতাস আর বাতাসে বৃষ্টির আগাম আভাস। সালটা ছিলো ২০০৯/ ২০২১০ সঠিক মনে করতে পারছিলোনা আনোয়ার কিন্তু দিনটি ছিলো বৃহস্পতিবার। আনোয়ার সিএনজি নিয়ে মোহাম্মদপুরের উদ্দেশ্য যাচ্ছিলো আকাশের অবস্থা দেখে ভাবে ঝড় শুরু হলো বাসায় ফিরে যেতো হবে যদি প্যাসেন্জার ভাড়া কম দিতে চায় তবুও সে তাদের নিয়েই রওনা হবে। এমনি দুই অদ্ভুত যাত্রী নিয়ে আনোয়ার রওনা হয়। প্রথমে সব স্বাভাবিক মনে হলেও হঠাৎ লোকটির হাসি দেখে আনোয়ার থমকে গেলো। লোকটির দাঁত কালো। শুধু কালো না অস্বাভাবিকভাবে কালো সাথে বাচ্চাটির দাঁত এবং জীভ সহ কালো। যে ব্যাপারটা আনোয়ার কে অস্বস্তিতে ফেলে। আনোয়ার চুপচাপ গাড়ি চালাচ্ছিলো হঠাৎ বিদ্যুৎ চমকানিতে লুকিং গ্লাসে চোখ পড়ে যা দেখে আনোয়ার স্তব্ধ হয়ে যায় যাত্রীদের চোখ হলুদ, মনি নেই তারা একে আপরের সাথে কথা বলছে যে ভাষা আনোয়ার জানেনা।মোহাম্মদপুর এক নির্জন মাঠে হঠাৎ লোকটি আনোয়ারকে গাড়ি থামাতে বলে। আনোয়ারের বুকের ভেতর অস্বস্তি কাজ করা শুরু করলো এই খোলা নির্জন মাঠে সচরাচর কেউ নামে না আর এটা ছিনতাইকারীদের জন্য উপযুক্ত জায়গা। ছিনতাইকারী না তো? ভেবে আনোয়ার আতংকিত। লোকটি নেমে ভাড়া মিটিয়ে দিয়ে চলে যাচ্ছিল তখন আনোয়ার আরেকটা ধাক্কা খায় বৃষ্টি পড়ছিলো কিন্তু বৃষ্টির পানি লোকটির গায়ে লাগছিলো না। লোকটির চোখ আরো বেশি হলুদ লাগছিলো এবং হাঁটতে হাঁটতে সে অন্ধকারে হারিয়ে যেতে লাগলো তখন আনোয়ারের মাথায় আসে বাচ্চা টি? লোকটির সাথে তো বাচ্চা ছিলো সে একা নেমে গেলো বাচ্চাটি কোথায় ভেবে সে পিছে তাকিয়ে দেখলো সেখানে কেউ নেই। আনোয়ার সেই লোকটিকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন বাচ্চাটির কথা কিন্তু লোকটি না থেকে হাঁটতে হাঁটতে বলে যে তার সাথে কোন বাচ্চা ছিলো। আনোয়ারের বুকের ভেতরটা কেমন করে উঠলো আনোয়ার কিছুক্ষব স্থির হয়ে বসে রইলো। সত্যি কি আনোয়ারের গাড়িতে লোকটির সাথে কোন বাচ্চা উঠেছিলো? যদি উঠে থাকে তাহলে সে কোথায় গেলো? শেষ অব্দি আনোয়ার কি জানতে পারবে বাচ্চাটি কে ছিলো? হঠাৎ কোথায় উধাও হয়ে গিয়েছিলো? তারপর তার সাথেই বা কি হয়েছিলো? যা জানতে হলে পড়তে হবে লেখক সুমন ভুঁইয়া'র লেখা নিঃশ্বাস।
পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ
আমরা যা দেখি তা কি সব সময় সত্য? নাকি বাস্তবতার আড়ালে এমন কিছু থাকে যা শুধু নির্দিষ্ট মুহূর্তেই প্রকাশ পায়? এমনই এক রহস্যময় ভৌতিক ঘটনার বর্ননা রয়েছে গল্পটিতে।
গল্পেটি পড়তে পড়তে এক গা ছমছমে অনুভূতি তৈরি হয়েছে। লেখক বিদ্যুৎ এর চমকানিতে সিএনজিতে দুজন যাত্রীকে ঘিরে তাদের অস্বাভাবিক চেহারার বর্ননা দিতে গিয়ে এমন এক রহস্য তৈরি করেছেন যা শেষ পর্যন্ত আপনার ভাবনাকে আটকে রাখবে।
সর্বোপরি, পড়ার মতো একটি ইবুক। যারা হরর ভৌতিক গল্প পড়তে পছন্দ করেন তারা অবশ্যই পড়ে দেখবেন।
____________________________
ইবুক: নিঃশ্বাস
লেখক : Sumon Bhuiyan
প্রকাশনী: অনুজ প্রকাশন/Anuj Prokashon
রিভিউ: নিপা
তারিখ: ১২/০৫/২০২৬
Facebook পোস্টটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
Note: ব্যবহারকারীর প্রোফাইল পাবলিক থাকলে, দেওয়া লিংক থেকে মূল রিভিউটি দেখা যাবে।
রকমারিতে পাঠকদের দেওয়া কিছু নির্বাচিত মতামত
ই-মেইল ও ব্যক্তিগত বার্তায় পাওয়া পাঠকদের নির্বাচিত মতামত ও প্রতিক্রিয়া