মৃ'ত্যু যেখানে চুড়ান্ত সত্য, সেখানে লেখক আল্লাহর সাথে দরকষাকষি করেন-মৃ'ত্যুর কিছু শর্ত নিয়ে। প্রতিনিয়ত কতো সময় আমরা তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ভেবে নষ্ট করি আর সেখানে লেখক দরকষাকষিতে ব্যস্ত। আজব এক ব্যাপার!
বই: ‘মৃ'ত্যু’
লেখক: Sumon Bhuiyan
প্রকাশনী: প্রতিভা প্রকাশ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৪
মুদ্রিত মূল্য: ২৪০/-
----------------------------------
➠অসমাপ্ত ইমপ্লিমেন্টেশন
➠একটি ফ্ল্যাটের ক্যান্সার
➠স্মৃতি, হাসি আর শূণ্যতার গল্প
➠অচেনা মানুষ, আপন হয়ে ওঠা
➠আমার মৃত্যু
লেখক তার ‘মৃ'ত্যু’ বইটিতে ৪টি গল্পের মাধ্যমে পৃথিবীতে আমাদের জীবনের শেষ যাত্রার চিত্রকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। আর সর্বশেষে তিনি নিজের মৃ'ত্যুতে লিখেছেন আল্লাহর সাথে নিজস্ব দরকষাকষির হিসাব।
➥প্রতিটি গল্পে লেখক চেষ্টা করেছেন মৃ'ত্যুর একেকটি রূপকে তুলে ধরতে। কারো কাছে মৃ'ত্যু আসে মহা'মারী আকারে, কারো কাছে ক্যা'ন্সার হয়ে, কারো কাছে স্বাভাবিকভাবে কিংবা কারো কাছে সাধারণ অসুস্থতার মাধ্যমে। কিন্তু লেখক তার লেখার মাধ্যমে আমাদের বোঝোনোর চেষ্টা করেছেন যে মৃ'ত্যুই তো সবকিছুর শেষ নয়। পৃথিবীতে আমার আয়ু ফুরিয়ে গেলেও, কখনো রবের অনুগ্রহের দরজা বন্ধ হয়ে যায়না। আমরা মৃ'ত্যুবরণ করলেও, দুনিয়া তার স্বাভাবিক গতীতেই চলতে থাকে। খুব কাছের মানুষজন আমাদের মৃ'ত্যুতে কিছুদিন শোক পালন করে কিংবা কেউ জানতেও পারে না। তবুও আমরা প্রতিটা মানুষ পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তেই কারো না কারো মনে কোনো একটা স্মৃতির আদোলে থেকেই যাই। বইটি পড়তে বসলে মনে পড়ে যায় যে আমাদের দুনিয়াতে পাঠানোর উদ্দেশ্য কি ছিলো আর আমরা কি করে বেড়াচ্ছি?
----------------------------------
লেখকের প্রতি আমার বিশেষ বার্তা:
»নিজের মৃ'ত্যু« তে আপনি যে ৬টি শর্তের উল্লেখ করেছেন, তন্মধ্যে প্রথম ৩টি শর্তের নির্দিষ্ট আর সহীহ কোনো হাদিসের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আপনি আপনার পাঠকদের উপর সত্যতা যাচাইয়ের এই গুরু দায়িত্ব দিয়েছিলেন বলে আমি যাচাই করার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। এরপরও ত্রুটি থাকলে আল্লাহ মাফ করবেন বলে আশা রাখি। ইসলামে ভালো আমলের ফজিলত আছে, কিন্তু সেটা হাদিস যাচাই করে বলা জরুরি। আমাদের সৃষ্টিকর্তা খুবই দয়ালু, তিনি আমাদের করা প্রতিটা গুণাহর মাঝেও নিখুঁত ভাবে তিনি কিছু জায়গা খুঁজেতে থাকেন, যাতে সেসবের উছিলায় আমাদের ক্ষমা করা যায়। তাই আপনার উল্লেখ করা শর্তগুলোর সহীহ হাদিস পাওয়া না গেলেও, আল্লাহ আপনাকে এর উত্তম প্রতিদান দান করবেন, ইন শা আল্লাহ।
Facebook পোস্টটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
Note: ব্যবহারকারীর প্রোফাইল পাবলিক থাকলে, দেওয়া লিংক থেকে মূল রিভিউটি দেখা যাবে।
মৃত্যু বইটি কেমন যদি বলা হয় ।
সহজে বলা যায় বইটির লেখক Sumon Bhuiyan ভাই যেন জীবনের একটি ডায়রি খুলে দিয়েছে পাঠক দের মাঝে।
বইটির দুটো অংশ খুব মনে দাগ কেটেছে তার মামী এর মৃত্যু ও তার এক বন্ধু এর মৃত্যুর খবর সাথে সাথে জানতে না পারার বিষয় টা ।
Facebook Link : https://www.facebook.com/photo.php?fbid=122129193045076678&set=pb.61582300365360.-2207520000&type=3
Note: ব্যবহারকারীর প্রোফাইল পাবলিক থাকলে, দেওয়া লিংক থেকে মূল রিভিউটি দেখা যাবে।
সুমন ভূঁইয়া ভাইয়ের ( Sumon Bhuiyan ) লেখা গল্পের বই #মৃত্যু পড়লাম।প্রথমে ভেবেছিলাম ভয়ানক ভয়- টয়ের গল্প হবে। কিন্তু পড়া শুরু করার পর বুঝলাম -সবগুলো গল্পই অনেক আবেগী,জীবনের গল্প।
কখনও কখনও গল্প পড়তে পড়তে ভালোলাগা কাজ করেছে, কখনও কখনও ঠান্ডা হয়ে গিয়েছি এর পরে কি হবে জানার জন্য, এটা কি হলো?
কষ্টে চোখের কোনে কখনও কখনও পানি চলে এসেছে।গল্প গুলো পড়ে আমার আপনজন, কাছের মানুষদের কথা মনে পরে গিয়েছিল যারা পৃথিবী থেকে চলে গেছেন।
সবাইকে আল্লাহ তায়ালা বেহেশত নসীব করুন। আর যারা বেঁচে আছি সবাইকে নেক হায়াত দান করুক। আমিন
এই বইয়ে ৫ টি গল্পই খুবই হৃদয়বিদারক। গল্পগুলো পাঠকের হৃদয়ে ঠান্ডা স্রোতের ধারা বয়ে যাবে নিশ্চিত।
১. অসমাপ্ত ইমপ্লিমেন্টেশন -
গল্পটা প্রথমে পড়া শুরু করতে গিয়ে মনে হচ্ছিল এর পরে কি হবে? গল্পটা জীবনভিক্তিক।
মিজান ভাই কি সুস্থ হয়ে ফিরবে?
মিজান ভাইয়ের ছোট ২ বছরের বাচ্চাটার জন্য খুব মন খারাপ লেগেছে।
ছোট ভাইটার কান্নাকাটি বুকের মধ্যে কষ্ট বাড়িয়ে দেয়।
যাদের পরিবারের আপনজন কেউ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় তারাই শুধু বুঝবে এই কষ্টতা। আমার ফুফারও ক্যান্সার ছিলো, উনার ও লাস্ট স্টেজে ধরা পরে। হয়তো গল্পটা পড়তে গিয়ে এি কারনেই বেশি কষ্ট লেগেছে।
তবে ইন্জিনিয়ার সাহেবের উপর আমার একটু অভিমান হলো। উনার সাথে মিজান সাহেবের শেষ দেখাটা হলো না অফিসের ব্যস্ততার জন্য কিন্তু শেষ দেখাটা দেখতে তো যেতে পারতো,উনার পরিবারের পাশে একটু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে পারতো।রফিক ভাই হয়তো উনাকে কাছে পেয়ে একটু ভরসা পেতো।
এমন হলে হয়তো পাঠকের মনে প্রশ্ন তৈরী হতো না, অভিমানও সৃষ্টি হতো না, আর গল্পের সার্থকতা এটাতেই।পাঠকের মনে হাজারো প্রশ্ন থাকুক, অভিমান থাকুক।
এক কথায় গল্পটা অসাধারণ।
২. একটি ফ্ল্যাটের ক্যান্সার
নামকরণ দেখেই পড়ার আগ্রহ বেড়ে গেলো। তাই দ্বিতীয় গল্পটা প্রথম গল্পের পরেই পড়তে শুরু করলাম।
নিজের বাড়ি কিংবা ফ্লাটের ইচ্ছে সব মেয়েরই থাকে।
কিন্তু রিনা মামীর ফ্লাটের ইচ্ছেটা পূরন হলো না, হয়তো কর্কট রোগ ক্যান্সার না হলে উনার শখ পূরন হতো।
গল্পটা পড়ে বারবার মনে হয়েছে ভালো মানুষেরা কেনো পৃথিবী থেকে তাড়াতাড়ি চলে যায় কতটা কষ্ট সহ্য করেছে শুধুমাত্র বেঁচে থাকার তীব্র ইচ্ছা শক্তি নিয়ে, কিন্তু অদম্য শক্তি হেরে গেলো মৃত্যুর হাতছানির কাছে।
গল্পটা পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল রীনা মামীকে সুস্থ করে দিক লেখক। উনার কেনা ছোট্ট ফ্লাটটায় শান্তিতে থাকুক, রিনা মামী ভালো থাকুক।
৩. স্মৃতি, হাসি, শূন্যতার গল্প
এই গল্পটা মনে ধরলো খুব।
যারা হয়তো বিদেশে থাকেন তাদেরকে পরিবারের বিপদের কথা কম জানানো হয়। কিন্তু কাছের মানুষের কিছু হলে হয়তো মন টানে তার জন্যই সুমন ভাইয়ের মনেও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছিল।
দাদা নাতির ভালোবাসা মুগ্ধ করে দিলো আমাকে। দুঃখ পেলাম সাবিকের দাদার চলে যাওয়ার জন্য। কিভাবে বুঝলো - তিনি পৃথিবী থেকে চলে যাবেন? সবার জন্য মঙ্গল কামনা করে গেলেন তিনি।
মহান আল্লাহ তায়ালা উনাকে বেহেশত নসীব করুক। আমিন
৪. অচেনা মানুষ, আপন হয়ে ওঠা
পরও আপন হয় এই গল্পটা পড়ে জানলাম। বেল্লালের সততা,দায়িত্ববোধ দেখে সম্মান বেড়ে গেলো।
বেল্লালের হাফেজ ছেলে কবরস্থানে কোরআন খতম দেওয়া আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো লেগেছে।
লেখকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি বেল্লালের মৃ'ত্যুর কারন গোপন করার জন্য।
বেল্লারের জন্য লেখক বা লেখকের পরিবার যে সম্মান দেখিয়েছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
৫. আমার মৃত্যু
এই লেখাগুলো পড়ে নিজের মৃত্যুকে অনুধাবন করলাম।আমার ও মৃত্যু হবে। কিন্তু আমি কি নিয়মিত নামাজ পড়ি, দোয়া পড়ি, সবসময় তওবা পড়ি, নামাজ শেষে আয়াতুল কুরসি পড়ি, কালেমা পড়ি - নানা রকমের প্রশ্ন মাথায় ঘুরপাক খেলো।
মনে হলো - নিয়মিত দোয়া দুরুদ, কালেমা, নামাজ পড়া উচিৎ। কখন মৃত্যু কার হবে কিছুই তো বলা যায় না।
আমিও না হয় লেখকের মতো - আল্লাহ তায়ালার কাছে নিজের জন্য চাইবো।
#গল্পের বই পড়ে নিজের মৃত্যু নিয়ে ভয় ঢুকে গেলো। অনেকেই গল্পের বইটি পড়বেন হয়তো কেউ কেউ মৃত্যুর ভয়ে লেখকের মতো দোয়া, আমল গুলো করবেন।
বইটি যারা এখনও পড়েন নাই তাড়াতাড়ি সংগ্রহ করে পড়ুন। ভালো লাগবে গল্পগুলো।
বইটি প্রতিভা প্রকাশ protiva Prokash এ পাওয়া যাচ্ছে।
Facebook পোস্টটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
Note: ব্যবহারকারীর প্রোফাইল পাবলিক থাকলে, দেওয়া লিংক থেকে মূল রিভিউটি দেখা যাবে।
বই : মৃত্যু
লেখক: Sumon Bhuiyan
প্রকাশনী: প্রতিভা প্রকাশ protiva Prokash
জানারা : গল্পগ্রন্থ
মূল্য :২৪০ ৳
পৃষ্ঠা : ৬৪
রিভিউ : নিপা
_______________________________
অনেক বই পড়া হয় কিন্তু সব বই পড়ে শেষ করার পর মনের মধ্যে থেকে যায় না। লেখক সুমন ভুঁইয়া এর প্রথম বই' মৃত্যু ' বইটি আমার কাছে সে রকম একটি বই যা আমি বেশ যত্ন সহ কারে পড়েছি।
এই বইটি মূলত লেখকের ব্যক্তিগত স্মৃতিচারন মূলক বই। যেখানে পরিবার, প্রিয় মানুষ এবং মৃত্যু নামক চূড়ান্ত সত্যকে কেন্দ্র করে লিখা এক গল্পগ্রন্থ যেখানে অসংখ্য স্মৃতি, কান্না, প্রিয় মানুষদের হারিয়ে ফেলার গভীর যন্ত্রণা এবং জীবনের চূড়ান্ত সত্যকে তুলে ধরা হয়েছে। বইটি পড়তে গিয়ে বারবার মনে হয়েছে মৃত্যু শুধু একজন মানুষের বিদায় নয়, এটি অসংখ্য স্মৃতি এবং শূন্যতার নাম।
বইটিতে অসমাপ্ত ইমপ্লিমেন্টেশন, একটি ফ্ল্যাটের ক্যান্সার, স্মৃতি হাসি আর শূন্যতার গল্প এবং আমার মৃত্যু এই পাঁচটি গল্প রয়েছে। যেখানে প্রতিটি গল্পই বাস্তব জীবনের মৃত্যু নামক সত্য দিয়ে গাঁথা।
শুরুতে লেখক তার এক সহকর্মীর মৃত্যুর কথা বলেছেন। যেখানে লেখক দেখিয়েছেন হুট করে প্রিয় মানুষ হারিয়ে যাওয়ার বেদনা।
'একটি ফ্ল্যাটের ক্যান্সার' যেখানে লেখক তার মামি শ্বাশুড়ি রিনার জীবনের স্বপ্ন, সংগ্রাম এবং মরণব্যাধি ক্যান্সারের কাছে হার মেনে নেওয়ার করুন বিষাদময় যন্ত্রণার গল্প তুলে ধরেছেন যা পড়তে গিয়ে উপলব্ধি করেছি মানুষের সব পরিকল্পনা, স্বপ্ন উর্ধে মৃত্যুই একমাত্র চিরন্তন সত্য।
বইটির তৃতীয় গল্প ' স্মৃতি, হাসি আর শূন্যতার গল্প 'সবচেয়ে আবেগঘন গল্প। সন্তানের চোখের সামনে বাবার দীর্ঘ অসুস্থতা, ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর মাত্র ২৬ দিনের ব্যবধানে বাবাকে হারানো, শেষ সময়ের স্মৃতি যা পড়তে গিয়ে ভেতরটা অজান্তেই ভারী হয়ে উঠেছিলো
পরবর্তী গল্প ' অচেনা মানুষ, আপন হয়ে ওঠা' বল্লাল নামের এক সাধারণ সিএনজি চাললকের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা নিয়ে। যার মৃত্যুর খবর লেখক জানতে পারেন মৃত্যুর কয়েক মাস পরে অথচ যিনি রক্তের সম্পর্ক ছাড়াই হয়ে উঠেছিলেন লেখকের আপনজন।
সর্বশেষ গল্প,' আমার মৃত্যু ' যে গল্পটি সবচেয়ে ব্যাতিক্রম। যেখানে লেখক নিজের মৃত্যু নিয়ে কল্পনা করেছেন নিজের অনুপস্থিতিতে পৃথিবী কেমন হবে তা নিয়ে ভেবেছেন। গল্পটিতে শুধু নিজের মৃত্যুর কথা বলেননি না বরং পাঠক হিসেবে আমার জীবনের হিসাব নিয়েও ভাবতে বাধ্য করেছেন।
পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ
বইটি পড়ে শেষ করার পর মনে হচ্ছিল শব্দগুলো কোথাও যেন হারিয়ে গেছে। প্রতিটি গল্পের শূন্যতা আর স্মৃতিচারণ দীর্ঘ সময় ধরে ভাবিয়েছে। কখন যেন চোখের কোণে পানি চলে এসেছে বুঝতেই পারিনি। বইটিতে শুধু কয়েকজন প্রিয় মানুষের মৃত্যুর গল্প নয় বরং প্রিয় মানুষ হারানোর পর তাদের স্মৃতির সঙ্গে বেচে থাকার গল্প।
বইটির নামলিপি, প্রচ্ছদ এবং বইয়ের ভাষা আমার বেশ ভালো লেগেছে। প্রচ্ছদটিও বইটির ভাবের সঙ্গে মিল রয়েছে। বইটি হাতে নেওয়ার পর প্রচ্ছদ দেখে পড়ার আগ্রহ বেড়ে গিয়েছিলো। ভাষায় দিকে লেখক খুব সহজ, সাবলীল ভাবে লিখেছেন কোথাও অপ্রয়োজনীয় জটিল ভাষা নেই যার জন্য বইটি পড়তে বেশ ভালো লেগেছে।
সর্বশেষে, একটা বইয়ের ভালো দিক খারাপ দিক উভয়ই থাকে। আমার যেটা ভালো লাগবে অন্য পাঠকের ভালো নাও লাগতে পারে। তবে পড়ার মতো ভালো একটি বই অবশ্যই পড়ে দেখবেন।
( রিভিউটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ভুল ক্রুটি হলে অবশ্যই ধরিয়ে দিবেন)
Facebook পোস্টটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
Note: ব্যবহারকারীর প্রোফাইল পাবলিক থাকলে, দেওয়া লিংক থেকে মূল রিভিউটি দেখা যাবে।
রকমারিতে পাঠকদের দেওয়া কিছু নির্বাচিত মতামত
বইটই ডটকমের পাঠকদের নির্বাচিত মতামত ও পাঠ প্রতিক্রিয়া
ই-মেইল ও ব্যক্তিগত বার্তায় পাওয়া পাঠকদের নির্বাচিত মতামত ও প্রতিক্রিয়া